সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি – বিএনপি
রাজনীতি আমার কাছে কোনো পেশা নয়, বরং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি দায়িত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি - জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের কথা শুনে এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের মাধ্যমে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান কর্তব্য।
আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রজীবন থেকেই গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে সক্রিয় ছিলাম। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। রাজপথের আন্দোলন, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই আমার রাজনৈতিক পথচলা।
ঢাকা-১০ আসনের প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি মহল্লা এবং এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা, সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে আমি অবগত। যানজট, নাগরিক সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তা - এই বিষয়গুলো ঢাকার মানুষের নিত্যদিনের বাস্তবতা। আমি বিশ্বাস করি, পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধির সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই এসব সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।
আমি রাজনীতিতে সংযম, ভদ্রতা ও যুক্তিকে গুরুত্ব দিই। প্রতিপক্ষের সঙ্গে মতভেদ থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখা আমার নীতিগত অবস্থান। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয় - রাজনীতি মানে সেবা, ত্যাগ এবং দায়বদ্ধতা। এই বিশ্বাস থেকেই আমি সবসময় সাধারণ মানুষের কথা বলার চেষ্টা করি।
আমার লক্ষ্য একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে আইনের শাসন নিশ্চিত হবে, তরুণরা পাবে যোগ্যতার ভিত্তিতে সুযোগ, এবং নাগরিকরা ভয়ের নয় - আস্থার সঙ্গে রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য অর্জনের পথেই আমি অগ্রসর হতে চাই।
শিক্ষা: প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন নিশ্চিত করা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
আমরা ঢাকা-১০ এলাকায় আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালু হবে। সরকারি স্কুল-কলেজগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে যাতে তরুণরা চাকরির পাশাপাশি স্ব-কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার সাথে সংযুক্ত করা হবে।